17 WC শুধু একটি গেমিং সাইট নয় — এটা লক্ষাধিক বাংলাদেশি খেলোয়াড়ের ভরসার জায়গা। আমাদের শুরু থেকে আজ পর্যন্তের গল্প, আমাদের মানুষ, আমাদের মূল্যবোধ — সব কিছু এই পেজে।
17 WC-এর জন্ম হয়েছিল একটি সহজ প্রশ্ন থেকে — বাংলাদেশের মানুষ কি সত্যিকারের নিরাপদ ও আনন্দদায়ক অনলাইন গেমিং অভিজ্ঞতা পাচ্ছেন? উত্তরটা যখন "না" হলো, তখনই আমরা কাজ শুরু করলাম।
আমাদের লক্ষ্য খুব স্পষ্ট — প্রতিটি বাংলাদেশি খেলোয়াড়কে এমন একটি প্ল্যাটফর্ম দেওয়া যেখানে তিনি মনে করবেন তার টাকা নিরাপদ, তার জেতা টাকা সময়মতো পাবেন এবং যেকোনো সমস্যায় পাশে কেউ আছে। 17 WC সেই প্রতিশ্রুতি প্রতিদিন পালন করে।
ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, সিলেট থেকে রাজশাহী — বাংলাদেশের প্রতিটি কোণে আমাদের খেলোয়াড়রা আছেন। বিকাশ, নগদ ও রকেটের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক পেমেন্ট নিশ্চিত করে আমরা গেমিংকে সত্যিকার অর্থে সহজলভ্য করেছি।
আমাদের ছয়টি মূল বৈশিষ্ট্য যা আমাদের প্রতিযোগীদের থেকে আলাদা করে
256-বিট SSL এনক্রিপশন, টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন এবং রিয়েল-টাইম ফ্রড ডিটেকশন সিস্টেম দিয়ে আপনার অ্যাকাউন্ট ও অর্থ সুরক্ষিত রাখা হয়। 17 WC-তে প্রতিটি লেনদেন এনক্রিপ্টেড ও নিরীক্ষিত।
বিকাশ, নগদ ও রকেটের মাধ্যমে মাত্র ৳৫০০ থেকে ডিপোজিট করুন। উইথড্রল গড়ে ৫ মিনিটেই হয়। কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট দরকার নেই — সাধারণ মোবাইল নম্বরই যথেষ্ট।
ক্রিকেট বেটিং থেকে লাইভ ক্যাসিনো, স্লট থেকে লটারি — সব এক ছাদের নিচে। নিয়মিত নতুন গেম যোগ হয় এবং প্রতিটি গেম তৃতীয় পক্ষ দ্বারা অডিট করা — ফেয়ার প্লে নিশ্চিত।
দিনের যেকোনো সময় লাইভ চ্যাটে বাংলায় কথা বলুন। অভিজ্ঞ সাপোর্ট টিম গড়ে ২ মিনিটের মধ্যে সাড়া দেয়। ফোন, ইমেইল ও চ্যাট — তিনটি মাধ্যমেই পাওয়া যায়।
ওয়েলকাম বোনাস থেকে শুরু করে ডেইলি ক্যাশব্যাক, রেফারেল পুরস্কার, উৎসব অফার ও VIP লয়্যালটি প্রোগ্রাম — 17 WC-তে বোনাসের অভাব কখনো হয় না।
স্মার্টফোনে সর্বোচ্চ অভিজ্ঞতার জন্য তৈরি। অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড করুন অথবা ব্রাউজারে খেলুন — যেকোনো ডিভাইসে নিরবচ্ছিন্ন গেমিং নিশ্চিত।
একটি ছোট স্বপ্ন থেকে বাংলাদেশের বড় গেমিং প্ল্যাটফর্ম
২০২০ সালে যখন 17 WC শুরু হয়েছিল, তখন মাত্র কয়েকজন মানুষ ছিল দলে। ঢাকার একটি ছোট অফিস, একটি বড় স্বপ্ন — বাংলাদেশের সাধারণ মানুষকে আন্তর্জাতিক মানের গেমিং অভিজ্ঞতা দেওয়া।
আজ পাঁচ বছর পরে 17 WC বাংলাদেশের অন্যতম বিশ্বস্ত অনলাইন গেমিং ব্র্যান্ড। প্রতিটি পদক্ষেপে আমরা খেলোয়াড়দের মতামত নিয়েছি, সমস্যা শুনেছি, সমাধান করেছি। এটাই আমাদের সাফল্যের মূল রহস্য।
ঢাকায় একটি ছোট টেক টিম নিয়ে যাত্রা শুরু। প্রথম দিনই ৫০০ জন খেলোয়াড় নিবন্ধন করেন। বিকাশ পেমেন্ট ইন্টিগ্রেশন ছিল সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ।
ক্রিকেট বেটিং বিভাগ চালু হওয়ার পরেই খেলোয়াড়ের সংখ্যা তিনগুণ হয়। নগদ ও রকেট পেমেন্ট যুক্ত হয়। সদস্য সংখ্যা পৌঁছায় ৫০,০০০-এ।
নেটিভ অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ লঞ্চের পর মোবাইল ব্যবহারকারী ৭০% বেড়ে যায়। VIP লয়্যালটি প্রোগ্রাম চালু হয় এবং ডেইলি ক্যাশব্যাক সুবিধা আসে।
বাংলাদেশের পাঠক-নির্বাচিত পুরস্কার জয়। সদস্য সংখ্যা ছাড়িয়ে যায় ২ লাখ। লটারি বিভাগ ও ইন্সট্যান্ট গেম চালু হয়।
বর্তমানে ৫ লাখেরও বেশি নিবন্ধিত সদস্য। প্রতিদিন গড়ে ৫০,০০০ সক্রিয় খেলোয়াড়। নতুন গেম ক্যাটাগরি ও উন্নত পেমেন্ট সিস্টেম চলমান।
যে নীতিগুলো আমাদের প্রতিটি সিদ্ধান্তে পথ দেখায়
আমরা যা বলি তা করি। প্রতিটি বোনাস অফার, প্রতিটি পেমেন্টের সময়সীমা — সব কিছু প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী রক্ষা করা হয়। 17 WC-এর সাথে কখনো প্রতারিত হওয়ার ভয় নেই।
কোনো লুকানো ফি নেই, কোনো অস্পষ্ট শর্ত নেই। প্রতিটি বোনাসের ওয়েজার রিকোয়ারমেন্ট সহজ বাংলায় লেখা। আমরা বিশ্বাস করি তথ্য লুকানো কোনো ব্যবসার ভিত্তি হতে পারে না।
বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের চাহিদা মাথায় রেখে আমরা প্রতিনিয়ত নতুন ফিচার তৈরি করি। মোবাইল-ফার্স্ট ডিজাইন, বাংলা ইন্টারফেস ও স্থানীয় পেমেন্ট — সবই আমাদের উদ্ভাবনের ফল।
আমরা চাই আমাদের খেলোয়াড়রা আনন্দ নিন, কিন্তু সীমার মধ্যে থেকে। ডিপোজিট লিমিট, স্ব-বর্জন সুবিধা ও সচেতনতামূলক তথ্য সরবরাহ আমাদের দায়িত্বশীল গেমিং উদ্যোগের অংশ।
যারা 17 WC-কে প্রতিদিন এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন
ডিজিটাল গেমিং ইন্ডাস্ট্রিতে ১০ বছরের অভিজ্ঞতা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে স্নাতক। 17 WC-এর মূল ভিশন তাঁর হাত দিয়ে তৈরি।
সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞ। প্ল্যাটফর্মের নিরাপত্তা ব্যবস্থা তাঁর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়। বুয়েট থেকে সিএসই-তে প্রথম শ্রেণিতে পাস।
ব্যবহারকারী অভিজ্ঞতা ডিজাইনে বিশেষজ্ঞ। মোবাইল-ফার্স্ট ইন্টারফেস ও বাংলা UI তাঁর নকশা করা। আন্তর্জাতিক UX অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী।
৫০ জনের সাপোর্ট টিম পরিচালনা করেন। ২৪/৭ বাংলা সাপোর্টের স্থপতি। তাঁর নেতৃত্বে গ্রাহক সন্তুষ্টি রেটিং ৯৮%-এ পৌঁছেছে।
বাংলাদেশে অনলাইন গেমিং এখন আর শুধু শহুরে মানুষের বিষয় নয়। মফস্বল থেকে শুরু করে ঢাকার অভিজাত এলাকা পর্যন্ত সর্বত্র মানুষ এখন স্মার্টফোনে গেম খেলছেন। 17 WC এই পরিবর্তনকে গভীরভাবে বুঝেছে এবং সেই অনুযায়ী নিজেকে তৈরি করেছে।
আমাদের প্ল্যাটফর্মে এখন সিলেটের চা-বাগান শ্রমিক থেকে চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী — সবাই একই মঞ্চে খেলছেন। বাংলা ভাষায় সম্পূর্ণ ইন্টারফেস, বাংলাদেশি মুদ্রায় সরাসরি লেনদেন এবং পরিচিত মোবাইল ব্যাংকিং পদ্ধতি — এসবই 17 WC-কে সত্যিকার অর্থে বাংলাদেশের নিজের প্ল্যাটফর্ম করে তুলেছে।
17 WC শুরু থেকেই বিশ্বাস করে এসেছে যে একটি প্ল্যাটফর্মের দীর্ঘমেয়াদী সাফল্য নির্ভর করে তার খেলোয়াড়দের আস্থার উপর। সেই কারণেই আমরা তৃতীয় পক্ষ দ্বারা নিয়মিত অডিটের ব্যবস্থা রেখেছি। প্রতিটি গেমের RNG (Random Number Generator) সার্টিফাইড — মানে কোনো ম্যানিপুলেশনের সুযোগ নেই।
আর্থিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে 17 WC কোনো আপোষ করে না। খেলোয়াড়দের ফান্ড কোম্পানির অপারেশনাল ফান্ড থেকে সম্পূর্ণ আলাদা রাখা হয়। যেকোনো পরিস্থিতিতে আপনার জমানো টাকা ফেরত পাবেন — এটা আমাদের প্রতিশ্রুতি।
আমরা জানি গেমিং আসক্তি একটি বাস্তব সমস্যা। তাই 17 WC সক্রিয়ভাবে দায়িত্বশীল গেমিং প্রচার করে। প্রতিটি সদস্য নিজের জন্য দৈনিক বা সাপ্তাহিক ডিপোজিট লিমিট সেট করতে পারেন। ইচ্ছা করলে সাময়িক বা স্থায়ীভাবে অ্যাকাউন্ট বন্ধ রাখার সুবিধাও আছে।
আমাদের বিশ্বাস — গেমিং মানুষের জীবনে আনন্দ আনতে পারে, যদি তা সীমার মধ্যে থাকে। বিস্তারিত জানতে আমাদের দায়িত্বশীল খেলা পেজ দেখুন।
আমরা থেমে নেই। 17 WC-এর আগামী পরিকল্পনায় রয়েছে আরও উন্নত লাইভ ক্যাসিনো অভিজ্ঞতা, ই-স্পোর্টস বেটিং বিভাগ এবং বাংলাদেশের তরুণ গেমারদের জন্য বিশেষ টুর্নামেন্ট সিরিজ। প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে, খেলোয়াড়দের চাহিদা বুঝে আমরা প্রতিনিয়ত এগিয়ে যাচ্ছি।
আপনি যদি এখনো 17 WC-এর সদস্য না হন, তাহলে আজই যোগ দিন এবং নিজেই অনু ভব করুন কেন লক্ষাধিক বাংলাদেশি আমাদের বিশ্বাস করেন।
17 WC সম্পর্কে যা সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞেস করা হয়